[gtranslate]
১৯শে মার্চ, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
৫ই চৈত্র, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

জেনে নিন শবে কদরের রাতে ক্ষমা লাভে যে দোয়া বেশি বেশি পড়বেন

ধর্ম ও জীবন ডেস্ক।।
আরবি ও ফারসি মিশ্রিত শব্দগুচ্ছ শবে কদর বা লাইলাতুল কদরের অর্থ অতিশয় সম্মানিত বা মহিমান্বিত রাত। পবিত্র এই রাতকে ভাগ্যের রাতও বলা হয়। এই রাত হাজার মাসের চেয়েও উত্তম।

পবিত্র কুরআনে মহান রাব্বুল আলামিন ইরশাদ করেছেন, ‘নিশ্চয়ই আমি এটি (পবিত্র কুরআন) নাযিল করেছি লাইলাতুল কদরে। তুমি কি জানো কদরের রাত কী? কদরের রাত হাজার মাসের চেয়েও অধিক উত্তম। এ রাতে ফেরেশতা আর রূহ তাদের রবের অনুমতিক্রমে প্রত্যেক কাজে অবতীর্ণ হয়। (এ রাতে বিরাজ করে) শান্তি আর শান্তি- ফজর উদয় হওয়া পর্যন্ত। (সুরা কদর, আয়াত: ১-৫)

পবিত্র রমজানের শেষ দশকের বেজোড় রাতগুলোর যেকোনো একটি রাত মূলত শবে কদরের রাত। বিভিন্ন হাদিস ও আলেমদের মতে, রমজানের ২৭ তারিখে শবে কদর, যা মূলত ২৬তম রোজার দিন রাতে। তাই শেষ দশকের বেজোড় রাতগুলোয় বেশি বেশি ইবাদত করা উত্তম।

খোদ নবীজিও রমজানের শেষ দশকে বেশি বেশি ইবাদত করতেন। আয়েশা (রা.) থেকে বর্ণিত হাদিসে এসেছে, যখন রমজানের শেষ দশক আসতো তখন রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁর লুঙ্গি কষে নিতেন (বেশি বেশি ইবাদতের প্রস্তুতি নিতেন) এবং রাতে জেগে থাকতেন ও পরিবার-পরিজনকে জাগিয়ে দিতেন। (সহিহ বুখারি, হাদিস: ১৮৯৭)

হিজরি ১৪৪৭ সনের পবিত্র রমজানের ২৬তম রোজা শেষে ২৭ রমজানের রাত আজ। ভাগ্য নির্ধারণী এই রাতে ক্ষমা চেয়ে বিশেষ দোয়া করার কথাও হাদিসে এসেছে। আয়েশা রাদিয়াল্লাহু আনহা থেকে বর্ণিত একটি হাদিসে এসেছে, আমি বললাম- ইয়া রাসুলাল্লাহ (সা.)! কোন রাতটি লাইলাতুল কদর, এ কথা যদি আমি জানতে পারি তবে সে রাতে কি দোয়া করব? জবাবে নবীজি বলেন, তুমি বলবে-

اللَّهُمَّ إِنَّكَ عَفُوٌّ كَرِيمٌ تُحِبُّ الْعَفْوَ فَاعْفُ عَنِّي

বাংলা: আল্লাহুম্মা ইন্নাকা আফুউন কারিমুন তুহিব্বুল আফওয়া ফা’ফু আন্নি।

অর্থ: হে আল্লাহ! তুমি তো খুবই ক্ষমাশীল, ক্ষমা করাই তুমি ভালোবাস। সুতরাং ক্ষমা করে দাও আমাকে। (মেশকাত, হাদিস: ২০৯১; সুনান আত তিরমিজি, হাদিস: ৩৫১৩)

আরো দেখুন