২৫শে জুলাই, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ
১০ই শ্রাবণ, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

জেনে নিন ৫টি নিয়ম মেনে ঘরে বসেই ডায়াবেটিস রোধ করুন

লাইফস্টাইল ডেস্ক।।
বর্তমান কর্মব্যস্ত জীবনে বেড়েছে রোগের প্রকোপ। অনিয়ন্ত্রিত জীবন এবং বেশি যান্ত্রিকতার কারণে কমেছে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা।

নতুন নতুন রোগের কারণে দেখা যাচ্ছে হতাশা। এসব রোগের মধ্যে ডায়াবেটিস অন্যতম।

ডায়াবেটিস যেহেতু অসংক্রামক ব্যাধি তাই এর সুনির্দিষ্ট কোনো কারণ জানা যায়নি। তবে পারিবারিক ইতিহাস, অধিক মাত্রায় খাদ্যগ্রহণ, কায়িক শ্রমের ঘাটতি, শরীরের অতিরিক্ত ওজন, পঞ্চাশোর্ধ্ব বয়স, রক্তে ক্ষতিকর চর্বি বেড়ে যাওয়া, গর্ভাবস্থা, অতিরিক্ত মানসিক চাপ, বিষণ্নতা তথা সার্বিক জীবনযাপনের ধরনের সঙ্গে ডায়াবেটিসের যোগসূত্র খুঁজে পাওয়া গিয়েছে।

এগুলো ডায়াবেটিসের ঝুঁকি অনেকাংশে বাড়িয়ে দেয়। অনিয়ন্ত্রিত ডায়াবেটিস থেকে হৃদরোগ, কিডনি বৈকল্য, পক্ষাঘাত, চক্ষুরোগ, পায়ে পচনশীল ক্ষত, মাড়ির প্রদাহ, মূত্রাশয়ের রোগ প্রভৃতি জটিলতা দেখা দেয়। তাই ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে রাখাটা খুবই গুরুত্ববহ।

কথায় আছে রোগ প্রতিকারের চেয়ে প্রতিরোধ উত্তম। আসুন জেনে নেই ডায়াবেটিস প্রতিরোধের কয়েকটি ঘরোয়া উপায়।

ওজন নিয়ন্ত্রণ…

ডায়াবেটিসের একটি অন্যতম কারণ হল অতিরিক্ত ওজন। ওজন যত বাড়তে থাকবে ততই বাড়বে ডায়াবেটিসের বিপদ। রোগা-পাতলা শরীর আপনার থেকে ডায়াবেটিসকে দূরে সরিয়ে রাখতে সাহায্য করবে। তাই ডায়াবেটিসের রুগী হলে সবসময় ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখুন।

ফাইবার জাতীয় খাবার…

খাবারের তালিকায় যত বেশি করে সম্ভব ফাইবার জাতীয় খাবার রাখুন। যেমন ফল, সবজি, বিনস, দানা জাতীয় শস্য, বাদাম ইত্যাদি। ফাইবার জাতীয় খাবার বেশি খেলে তা শরীরে শর্করার শোষণ ক্ষমতা কমিয়ে দেয়। ফলে রক্তে শর্করার পরিমাণ নিয়ন্ত্রণে থাকে।

নিয়মিত শরীরচর্চা…

ডায়াবেটিস থেকে বাঁচতে হলে অবশ্যই নিয়মিত শরীরচর্চা করুন। এতে ওজন যেমন নিয়ন্ত্রণে থাকে তেমনই শরীরে ইনসুলিন সঠিক ভাবে ব্যবহার হয়। ফলে ডায়াবেটিসে সম্ভাবনা অনেকটাই কম থাকে।

ধূমপান বন্ধ করুন…

আপনি যদি ডায়াবেটিস থেকে বাঁচতে চান তবে এখনই বন্ধ করুন ধূমপান। ধূমপান কয়েকগুণ বাড়িয়ে দেয় ডায়াবেটিসের শিকার হওয়ার প্রবণতা।

দুশ্চিন্তাহীন জীবন যাপন…

দুশ্চিন্তাহীন জীবন সকলের সুস্থতার অন্যতম নিয়ামক। চিন্তা বা হতাশা থেকে দূরে থাকতে পারলেই মুক্তি পাওয়া যাবে অনেক ধরণের রোগ শোক থেকে। এর জন্য পরিবারকে সময় দেওয়া, সঙ্গীকে খুশি রাখা, পছন্দের জায়গায় ঘুরতে যাওয়া, প্রতিবেশী কিংবা শিশুদের সাথে বেশি বেশি মেলামেশা এবং সর্বোপরি নিজের একটা খুশির বলয় তৈরি করা।

আরো দেখুন
error: Content is protected !!