bn বাংলা
১০ই আগস্ট, ২০২২ খ্রিস্টাব্দ
২৬শে শ্রাবণ, ১৪২৯ বঙ্গাব্দ

২০২৩ বিশ্বকাপের আগে হবে না শেখ হাসিনা স্টেডিয়াম

খেলাধুলা ডেস্ক।।
ভারতের মাটিতে ২০২৩ ওয়ানডে বিশ্বকাপ অনুষ্ঠিত হবে। আগামী বছর অক্টোবর-নভেম্বরে মাঠে গড়াবে এই আসর। বিশ্বকাপ শুরুর আগেই দেশের সবচেয়ে বড় শেখ হাসিনা আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়াম নির্মাণের টার্গেট ছিল বিসিবির। পূর্বাচলে নৌকার আদলে গড়ে তোলা হবে এই স্টেডিয়াম।

বাংলাদেশের এই আইকনিক স্টেডিয়ামে ওয়ানডে বিশ্বকাপের কয়েকটি ম্যাচ আয়োজনের চিন্তা ছিল বিসিবির। এজন্য বিশ্বকাপের আয়োজক বিসিসিআইকে অনুরোধ করার পরিকল্পনা ছিল। কারণ বিসিবির ইচ্ছা ছিল বিশ্বকাপ দিয়ে সারা বিশ্বের কাছে পরিচিতি পাক এই বিশাল স্থাপনা।

কিন্তু সেই পরিকল্পনা আর বাস্তবে রূপ নিচ্ছে না। কারণ করোনার ধাক্কায় এর নির্মাণযজ্ঞ পিছিয়ে গেছে। তাই বিশ্বকাপকেন্দ্রিক ভাবনা বাদ পড়েছে। আগামী বছরের আগে নির্মাণ কাজই শুরু হবে না।

ইতোমধ্যে স্টেডিয়ামের ডিজাইনের জন্য আন্তর্জাতিক পরামর্শক নিয়োগের কাজ এগিয়ে এনেছে বিসিবি। গত রোববার (১৭ জুলাই) স্টেডিয়ামের ডিজাইন করতে আগ্রহী দুই অস্ট্রেলিয়ান কোম্পানি কক্স আর্কিটেকচার ও পপুলাস আর্কিটেকচার বোর্ড সভায় প্রেজেন্টেশন দিয়েছে।

তারপর তাদেরকে ৭ দিনের মধ্যে তাদের আর্থিক প্রস্তাব জমা দিতে বলা হয়েছে। আগামী ২৮ জুলাই এই প্রক্রিয়া শেষ হবে। আর্থিক প্রস্তাব দেখার পর একটি কোম্পানিকে দায়িত্ব দেওয়া হবে।

এই পর্ব শেষে আরও অন্তত ৬ মাস লাগতে পারে স্টেডিয়ামের ড্রয়িং-ডিজাইন চূড়ান্ত করতে। এসবের পরই মূলত স্টেডিয়াম নির্মাণের কাজ শুরু হবে। তাই চলতি বছরে নির্মাণের কাজ দৃশ্যমান হওয়ার সম্ভাবনা নেই।

শেখ হাসিনা স্টেডিয়ামের আন্তর্জাতিক পরামর্শক নিয়োগের বিষয়ে বিসিবির প্রধান নির্বাহী নিজামউদ্দিন চৌধুরী সুজন বৃহস্পতিবার বলেন, ‘প্রজেক্ট ইমপ্লিমেন্টেশন কমিটি (পিআইসি) গঠন করা হয়েছে, তারা পরের ধাপে ফিনান্সিয়াল অফার (আর্থিক প্রস্তাব) এবং পূর্ণ মূল্যায়ন পেলে বোর্ড সিদ্ধান্ত নেবে। আর্থিক প্রস্তাব জমা দেওয়ার শেষ তারিখ ২৮ জুলাই।’

তিনি আরও বলেন, ‘আন্তর্জাতিক পরামর্শক নিয়োগের একটা ধাপই বাকি। এই প্রক্রিয়াটা ২৮ জুলাই শেষ হবে। তারপরই পরবর্তী কর্মপন্থা ঠিক হবে।’

স্টেডিয়াম নির্মাণের কাজ শুরুর বিষয়ে বিসিবির প্রধান নির্বাহী বলেছেন, ‘আগামী মাসের প্রথম সপ্তাহের মধ্যে যদি আমরা আন্তর্জাতিক পরামর্শকের বিষয়টা চূড়ান্ত করে ফেলতে পারি, তাহলে আগামী ৬ মাসের মধ্যে টার্গেট আছে আমরা পূর্ণাঙ্গ ড্রয়িং-ডিজাইনটা আমরা নিশ্চিত করে ফেলব। তারপরই বোঝা যাবে এটাকে বাস্তবায়ন করতে, শেষ করতে কত সময় লাগবে।’

আরো দেখুন
error: Content is protected !!