কুমিল্লায় বাস-প্রাইভেটকার সংঘর্ষে পরিবারের একই ৪ জনসহ নিহত ৫; অলৌকিকভাবে বেঁচে গেল আবরার
নিজস্ব প্রতিবেদক।।
কুমিল্লার বুড়িচং উপজেলায় মর্মান্তিক সড়ক দুর্ঘটনায় একই পরিবারের চারজনসহ পাঁচজন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আহত হয়েছে আরও একজন। নিহতদের মধ্যে প্রাইভেটকারের চালকও রয়েছেন।
জানা যায়, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক মাওলানা ফয়সাল আহমেদের ভগ্নিপতি মুফতি আব্দুল মমিন পরিবারের সদস্যদের নিয়ে প্রাইভেটকারযোগে নোয়াখালী থেকে ঢাকার মোহাম্মদপুরের উদ্দেশ্যে রওনা দেন।
পথিমধ্যে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় কুমিল্লার বুড়িচং উপজেলার কালাকচুয়া এলাকায় অবস্থিত হোটেল মিয়ামিতে খাবার খেতে প্রবেশ করেন তারা।
খাবার শেষে প্রাইভেটকারটি পুনরায় মূল সড়কে ওঠার সঙ্গে সঙ্গে ঢাকা থেকে নোয়াখালীগামী স্টারলাইট পরিবহনের একটি দ্রুতগামী বাস প্রাইভেটকারটিকে সজোরে ধাক্কা দেয়। এতে গাড়িটির ডান পাশ দুমড়ে-মুচড়ে যায় এবং ঘটনাস্থলেই হোসেন (৫২) নিহত হন। প্রাইভেটকারের চালক জামাল।
দুর্ঘটনায় গুরুতর আহত হন প্রাইভেটকারে থাকা মুফতি আব্দুল মমিন, তার স্ত্রী ঝর্ণা বেগম, দুই ছেলে আবরার ও এরশাদ এবং মেয়ে লাবিবা। স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে ময়নামতি আর্মি জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক চারজনকে মৃত ঘোষণা করেন।
এদিকে দুর্ঘটনা থেকে অলৌকিকভাবে বেঁচে যাওয়া ১২ বছরের শিশু আবরার জানায়, তারা নোয়াখালী থেকে ঢাকার মোহাম্মদপুরে যাচ্ছিলেন।
পথে মিয়ামি হোটেলে খাবার শেষে সড়কে ওঠার সময় একটি বাস তাদের বহনকারী প্রাইভেটকারকে ধাক্কা দেয়। আবরার সামান্য আহত হয়ে বর্তমানে ময়নামতি আর্মি জেনারেল হাসপাতালে রয়েছেন।
ময়নামতি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল মমিন জানান, দুর্ঘটনার পর বাসচালক বাস ফেলে পালিয়ে গেছে। দুর্ঘটনাকবলিত বাস ও প্রাইভেটকার জব্দ করা হয়েছে এবং এ বিষয়ে আইনগত প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।