bn বাংলা
৩০শে সেপ্টেম্বর, ২০২২ খ্রিস্টাব্দ
১৫ই আশ্বিন, ১৪২৯ বঙ্গাব্দ

আমদানি শুরু হতে না হতেই কমতে শুরু করেছে কাঁচা মরিচের দামের ঝাঁজ

অর্থ ও বাণিজ্য ডেস্ক।।
জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধি পাওয়ায় পরিবহন ব্যয় বেড়ে গেছে। এতে নিত্যপণ্যের বাজার আরেক দফা চড়েছে। এর মধ্যে সুখবর বলতে একটাই, আমদানির প্রভাবে কমতে শুরু করেছে কাঁচা মরিচের দাম।

ভারত থেকে আমদানি করা কাঁচা মরিচ বাজারে আসতে না আসতেই খুচরা ও পাইকারি উভয় বাজারে এটির দাম কেজিতে কমেছে ৫০ থেকে ৮০ টাকা।

মঙ্গলবার রাজধানীর কারওয়ান বাজার, মগবাজার ও হাতিরপুল এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, খুচরায় বিক্রেতারা কাঁচা মরিচ বিক্রি করছেন ১৫০ থেকে ১৮০ টাকা।

অবশ্য ভ্যানে করে যেসব বিক্রেতা কাঁচা মরিচ বিক্রি করেন, তাঁরা অনেকেই আবার ২৫০ গ্রাম কাঁচা মরিচের দাম রাখছেন ৫০ টাকা। সে হিসেবে প্রতি কেজির দাম পড়ে ২০০ টাকা।

মগবাজারের সবজি ব্যবসায়ী বলেন, ‘পাইকারিতে দাম কমায় আমরাও কম রাখতে পারছি। বাজারে এখন সব ধরনের সবজির দাম বেশি থাকলেও কাঁচা মরিচের দাম কমতি।’

এক সপ্তাহ আগেও রাজধানীর পাইকারি ও খুচরা বাজারে প্রতি কেজি কাঁচা মরিচের দাম ছিল ২২০ থেকে ২৫০ টাকা।

সরবরাহের ঘাটতির কারণে কোরবানির আগে থেকেই কাঁচা মরিচের দাম বাড়তে থাকে। কোরবানির পরে এক সপ্তাহের ব্যবধানে তা দ্বিগুণ হয়ে যায়।

ফলে মানভেদে প্রতি কেজি কাঁচা মরিচ বিক্রি হয় ১৪০ থেকে ১৮০ টাকায়। একপর্যায়ে তা ‘ডাবল সেঞ্চুরি’ (২০০ টাকা) করেও থামেনি। আড়াই শ টাকায় উঠে যায়।

বিক্রেতারা জানান, এবার দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে তীব্র দাবদাহ, অতিবৃষ্টি ও বন্যার কারণে কাঁচা মরিচের উৎপাদন ব্যাহত হয়।

এ জন্য বাজারে সংকট দেখা দেয়। বাজার স্থিতিশীল রাখতে অনেক দিন পর গত বৃহস্পতিবার আবার কাঁচা মরিচ আমদানির অনুমতি (আইপি) দেয় সরকার।

অনুমতি পাওয়ার পর আমদানিকারকেরা প্রতিবেশী ভারত থেকে কাঁচা মরিচ নিয়ে আসতে শুরু করেছেন। ফলে রাজধানীর বাজারে রাতারাতি কমতে শুরু করেছে কাঁচা মরিচের দাম। জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধির কারণে আমদানি করা কাঁচা মরিচেরও পরিবহন ব্যয় বেড়েছে। তা সত্ত্বেও এটির দাম কমছে।

ভারত থেকে কাঁচা মরিচ আমদানি করে থাকেন মো. কামরুজ্জামান। তিনি প্রথম বলেন, ‘আমদানি করা মরিচের দাম পাইকারিতে বিক্রি হচ্ছে ১২০ থেকে ১৩০ টাকা। খুচরা বাজারে আরেকটু বেশি। পরিবহন ভাড়া বেশি পড়ছে। না হলে কাঁচা মরিচের দাম আরও একটু কম রাখা সম্ভব হতো।’

এদিকে জ্বালানি তেলের দাম বেড়ে যাওয়ায় পরিবহন খরচ বেড়েছে। দূরত্বভেদে দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে রাজধানীর কারওয়ান বাজারে আসা সবজিবোঝাই ট্রাকপ্রতি বাড়তি ভাড়া গুনতে হচ্ছে ১ হাজার থেকে ৪ হাজার টাকা পর্যন্ত। অর্থাৎ সবজি পরিবহনের ভাড়া ২০ থেকে ২৫ শতাংশ বেড়েছে। এ ব্যয় সবজির দাম বাড়িয়ে দিয়েছে।

আরো দেখুন
error: Content is protected !!