ভোটে ৫১ দল: ধানের শীষের ২৮৮ প্রার্থী, দাঁড়িপাল্লার ২২৪
ঢাকা: ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে ৫১টি দল ভোটে রয়েছে। দলীয় ১৭৩২ জন প্রার্থী আর স্বতন্ত্র ২৪৯ জন মিলে এবার মোট প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী থাকলেন ১৯৮১ জন। এর মধ্যে ধানের শীষের ২৮৮ জন, দাঁড়িপাল্লার ২২৪ আর হাতপাখার ২৫৩ প্রার্থী রয়েছেন।
নির্বাচন কমিশনের (ইসি) জনসংযোগ পরিচালক মো. রুহুল বুধবার (২১ জানুয়ারি) মধ্যরাতে বিষয়টি জানিয়েছেন।
২৯৮ আসনে সর্বোচ্চ প্রার্থী রয়েছেন বিএনপির ধানের শীষের ২৮৮ জন, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ ২৫৩ জন নিয়ে দ্বিতীয় স্থানে।
জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী রয়েছেন ২২৪ জন। জাতীয় পার্টির ১৯২ জন, গণঅধিবার পরিষদের ৯০ জন আর এনসিপির ৩২ জন ভোটে রয়েছেন। এছাড়া স্বতন্ত্র প্রার্থী রয়েছেন ২৪৯ জন।
দলগুলোর মধ্যে লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টি- এলডিপির ১২ জন, জাতীয় পার্টি-জেপির ১০ জন, বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি-সিপিবির ৬৫ জন, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপির ২৮৮ জন, গণতন্ত্রী পার্টির ১ জন, জাতীয় পার্টির ১৯২ জন, জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল-জাসদের ৬ জন, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর ২২৪ জন, জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল-জেএসডির ২৬ জন, জাকের পার্টির ৭ জন, বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দল-বাসদের ৩৯ জন, বাংলাদেশ জাতীয় পার্টি-বিজেপির ৫ জন, বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলনের ৮ জন, বাংলাদেশ মুসলিম লীগের ১৩ জন, ন্যাশনাল পিপলস পার্টি-এনপিপির ২৩ জন, জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশের ৪ জন, গণফোরামের ১৯ জন, গণফ্রন্ট- ৫ জন, বাংলাদেশ ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি-বাংলাদেশ ন্যাপের ১ জন, বাংলাদেশ জাতীয় পাটির ৩ জন, ইসলামিক ফ্রন্ট বাংলাদেশের ১৯ জন, বাংলাদেশ কল্যাণ পার্টির-২ জন, ইসলামী ঐক্যজোটের ২ জন, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের ৩৪ জন, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের ২৫৩ জন, বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্টের ২৬ জন, জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টি-জাগপার ১ জন, বাংলাদেশের বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির ৭ জন, খেলাফত মজলিসের ২১ জন, বাংলাদেশ মুসলিম লীগ-বিএমএলের ৬ জন, বাংলাদেশ সাংস্কৃতিক মুক্তিজোটের (মুক্তিজোট) ২০ জন, বাংলাদেশ ন্যাশনালিস্ট ফ্রন্ট-বিএনএফের ৮ জন, জাতীয়তাবাদী গণতান্ত্রিক আন্দোলন-এনডিএমের ৮ জন, বাংলাদেশ কংগ্রেসের ১৮ জন, ইনসানিয়াত বিপ্লব, বাংলাদেশের ৪২ জন, বাংলাদেশ জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল-বাংলাদেশ জাসদের ১১ জন, বাংলাদেশ সুপ্রিম পার্টির (বি.এস.পি) ১৯ জন, আমার বাংলাদেশ পার্টির (এবি পার্টি)- ৩০ জন, গণঅধিকার পরিষদের (জিওপি) ৯০ জন, নাগরিক ঐক্য- ১১ জন, গণসংহতি আন্দোলনের ১৭ জন, বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট পার্টির ২ জন, বাংলাদেশ মাইনরিটি জনতা পার্টির (বিএমজেপি) ৮ জন, বাংলাদেশ লেবার পার্টির ১৫ জন, বাংলাদেশ রিপাবলিকান পার্টির (বিআরপি) ১২ জন, জাতীয় নাগরিক পার্টি-এনসিপির ৩২ জন, বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দলের (মার্কসবাদী) ২৯ জন, জনতার দলের ১৯ জন, আমজনতার দলের ১৫ জন, বাংলাদেশ সমঅধিকার পার্টির (বিইপি) ১ জন ও বাংলাদেশ নেজামে ইসলাম পার্টির ৩ জন প্রার্থী রয়েছেন৷
এদিকে নিবন্ধিত দলের মধ্যে প্রার্থী দেয়নি বাংলাদেশের সাম্যবাদী দল (এমএল), কৃষক শ্রমিক জনতা লীগ, বাংলাদেশ ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি, বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টি, বিকল্পধারা বাংলাদেশ, বাংলাদেশ তরিকত ফেডারেশন, তৃণমূল বিএনপি ও বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী আন্দোলন-বিএনএম। আওয়ামী লীগের নিবন্ধন স্থগিত থাকায় ভোটে বাদ পড়েছে।
আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।
এবার ৩৪১৭ জন মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করে, জমা দেন ২৫৮০ জন।
বাছাইয়ে ১৮৫৫ জনের মনোনয়নপত্র বৈধ হয়, বাতিল হয় ৭২৫ জনের। এদের মধ্যে নির্বাচন কমিশনে আপিল করেন ৬৪৫ জন। আপিলে প্রার্থিতা ফেরত পান ৪৩৬ জন আর ৫ জন বৈধ প্রার্থী বাদ পড়েন। ২০ জানুয়ারির মধ্যে ৩০৫ জন প্রার্থিতা প্রত্যাহার করেন। প্রতিদ্বন্দ্বিতায় আছেন ১৯৮১ জন।
এদিকে পাবনা-১ ও ২ আসনে আইনি জটিলতা থাকায় প্রার্থিতা চূড়ান্ত হবে কয়েকদিন পর৷ এক্ষেত্রে প্রার্থীর সংখ্যা আরও বাড়বে।
এবার পৌনে ১৩ কোটি ভোটার ১২ ফেব্রুয়ারি সংসদের পাশাপাশি গণভোটে রায় দেবেন।
ইইউডি/এসআই