bn বাংলা
১০ই আগস্ট, ২০২২ খ্রিস্টাব্দ
২৬শে শ্রাবণ, ১৪২৯ বঙ্গাব্দ

রামপাল কয়লাভিত্তিক তাপ বিদ্যুৎকেন্দ্র উৎপাদনে প্রস্তুত

নিউজ ডেস্ক।।
বিদ্যুৎ উৎপাদনের জন্য প্রস্তুত রামপাল কয়লাভিত্তিক তাপ বিদ্যুৎকেন্দ্র। এরই মধ্যে ইন্দোনেশিয়া থেকে কয়লার প্রথম চালান এসে পৌঁছেছে দেশে।

প্রকল্প কর্মকর্তাদের আশা, আগামী মাসের মধ্যেই পরীক্ষামূলক উৎপাদনে যেতে পারবে বিদ্যুৎকেন্দ্রটি।

রামপাল তাপ বিদ্যুৎকেন্দ্রের নিজস্ব জেটিতে জাহাজ থেকে খালাস করা হচ্ছে কয়লা। বুধবার (০৩ আগস্ট) বিদ্যুৎ উৎপাদনের জন্য ইন্দোনেশিয়া থেকে কয়লা এসে পোঁছায়।

বিদ্যুৎ বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, গত মার্চ মাসে বিদ্যুৎকেন্দ্রের কয়লা ক্রয় চুক্তি হয়। চুক্তি অনুযায়ী তাপ বিদ্যুৎ প্রকল্পের প্রথম ইউনিট চালুর জন্য এরই মধ্যে ইন্দোনেশিয়া থেকে তিন লাখ টন কয়লা কেনা হয়েছে। প্রথম চালানে ৫৫ মেট্রিক টন কয়লা এসে পৌঁছায়।

বৃহস্পতিবার (০৪ আগস্ট) বিকেলে আনুষ্ঠানিকভাবে জাহাজ থেকে কয়লা নামানো হয় কেন্দ্রে। মোনাজাতের মাধ্যমে আনুষ্ঠানিকতাও সম্পন্ন হয়।

এ সময় খুলনা সিটি করপোরেশনের মেয়রসহ প্রকল্প সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। প্রকল্প কর্মকর্তারা আশা করছেন কয়েকদিনের মধ্যেই পরীক্ষামূলক উৎপাদনে যাওয়া সম্ভব হবে। তবে এ জন্য প্রয়োজন শাটডাউন অনুমোদনের।

বাংলাদেশ-ইন্ডিয়া ফ্রেন্ডশিপ পাওয়ার কোম্পানি লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সাঈদ আকরাম উল্লাহ বলেন, কয়লা সাপ্লাইয়ের জন্যে যে চুক্তি হয়েছে সেটার প্রথম চালান এসে পৌঁছেছে। সেটার আন লোডিং কার্যক্রম আমরা চালাচ্ছি। এটা দিয়েই পাওয়ার প্ল্যান্ট চালু হবে।

বাংলাদেশ-ইন্ডিয়া ফ্রেন্ডশিপ পাওয়ার কোম্পানি লিমিটেডের প্রকল্প কর্মকর্তা সুভাসিষ পান্ডে বলেন, আমাদের পরিকল্পনা সেপ্টেম্বরে এটি চালু করবো। ওই সময় বিদ্যুৎ উৎপাদন এবং গ্রিডয়ে সাপ্লাই করা হবে।

এ তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্রটি দেশের বিদ্যুতের চাহিদা মেটাতে সক্ষম হবে বলে জানান খুলনা সিটি করপোরেশনের মেয়র তালুকদার আবদুল খালেক।

তিনি বলেন, যে স্বপ্ন নিয়ে এই বিদ্যুৎকেন্দ্র চালু হয়েছে। সেই স্বপ্ন বাস্তবায়ন হবে। আমাদের এই অঞ্চল অর্থনৈতিক ভাবে উন্নতি হবে।

২০১৩ সালের আগস্ট মাসে এ তাপ বিদ্যুৎ প্রকল্প অনুমোদন পায়। বাংলাদেশ ও ভারত সরকারের যৌথ বিনিয়োগে রামপাল কয়লাভিত্তিক তাপ বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণে ব্যয় হচ্ছে ১৬ হাজার কোটি টাকা।

আরো দেখুন
error: Content is protected !!